রোজার মাস সামনে রেখে অসাধু ব্যবসায়ীরা তৎপর, বাড়ছে দাম

উপজেলা প্রতিনিধি | প্রকাশিত : ২৩ এপ্রিল ২০২০ , ১:৫৯ অপরাহ্ণ

মোঃ শাকিল আহমেদ, ডিমলা প্রতিনিধি:

করোনা ভাইরাস সংক্রমোন রোধে সরকার ঘোষিত লকডাউনে  দেশে কর্মহীন হয়ে পড়া ষাধারন মানুষ যখন দিশেহারা, আর এ অবস্থায়ও এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী রমজান মাসকে সামনে রেখে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়িয়ে‘ই চলেছেন৷জনসাধারনের মনে এই বাড়তি দাম ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।বৃহস্পতিবার(২৩ এপ্রিল) নীলফামারির ডিমলায় এরকম’ই চিত্র দেখা যায়। চাল কিনতে আসা রফিক নামে একজন ক্রেতা অভিযোগ করে বলেন  পূর্বে প্রতি বস্তা স্বর্ণা চালের দাম ছিল ১৫০০ টাকা।

আরো পড়ুন

কিন্তু সপ্তাহের ব্যবধানে  ৭০০ টাকা বেড়ে  প্রতি চালের বস্তা হয় ২২০০ টাকা। এছাড়াও অস্বাভাবিক ভাবে দাম বেড়েছে আটাশ, জিরাশাইল,মিনিকেট, পাইজাম চালের।বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায় রসুন কেজি প্রতি ১৩০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১৭০ টাকা। ছোলা কেজি প্রতি ৬৫ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৮০ টাকা। শুকনো মরিচ বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ২৫০টাকা। আদা কেজি প্রতি ১৬০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২৮০ টাকা। এছাড়াও দাম বেড়েছে তেল, আটা, পেঁয়াজ, খেজুর, চিড়া , মসুর ডাল সহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের।

বাজারে দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা অবশ্য পণ্য পরিবহনে অসুবিধা ও লেবার না থাকার কথা বলছেন৷

ডিমলা কাঁচাবাজারের একজন মুদি দোকানি বলেন, লেবার না থাকায় নিজে গিয়ে ডিলার থেকে মালপত্র কিনে আনতে হচ্ছে৷ গণপরিবহন বন্ধ থাকায় মাল পরিবহণ ব্যয়ও বেশি পড়ছে৷

 

দেশজুড়ে
২৩ এপ্রিল ২০২০