নড়াইলে ১০০ শিশুর মুখে হাসি ফুটালো বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী

জেলা প্রতিনিধি | প্রকাশিত : ২৩ মে ২০২০ , ৪:০২ অপরাহ্ণ

নিজের পোশাক কেনার টাকায় সুবিধাবঞ্চিত, ছিন্নমূল ও এতিম শিশুদের মাঝে ঈদের নতুন পোশাক কিনে দিলেন শিক্ষার্থী মির্জা গালিব সতেজ । করোনাভাইরাস ও ঘূর্ণিঝড় আমফানের দুর্যোগকালে নড়াইলে ১০০ শিশুর মুখে হাসি ফুটালো বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষার্থী । এছাড়া হাসপাতালের রোগি, এতিম, পথচারী ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে ইফতার ও ইফতারসামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী মির্জা গালিব সতেজ। নিজের জন্য ঈদের নতুন পোশাক না কিনে, সেই টাকায় কিনেছেন সুবিধাবঞ্চিত ও এতিম শিশুদের ঈদের নতুন পোশাক। বাড়ি বাড়ি পৌছে দিয়েছেন সেই পোশাক।

মানবসেবা তার একমাত্র নেশা। তাই করোনাভাইরাস ও ঘূর্ণিঝড় আমফানের দুর্যোগময় সময়ে নড়াইলের বিভিন্ন এলাকার ১০০ শিশুর মুখে নতুন পোশাকের হাসি ফুটালো বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী মির্জা গালিব সতেজ। সতেজ ঢাকার ডেফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে পড়ালেখা করছে। করোনাভাইরাসের ছুটিতে নড়াইলে গ্রামের বাড়িতে এসে করছেন মানবসেবা।

আরো পড়ুন

করোনার শুরু থেকেই অসহায় মানুষকে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেয়া, মাস্ক বিতরণ, জীবানুনাশক স্প্রে, বিনামূল্যের সবজিবাজার, গরিব কৃষকের ধানকর্তন, সুবিধাবঞ্চিত মা ও শিশুদের মেডিকেল ক্যাম্প চালুসহ বিভিন্ন সেবামূলক কাজ করেছেন। এরই ধারাবাহিতায় রমজানের শুরু থেকে ইফতার ও ইফতারসামগ্রী দিয়েছেন হাসপাতালের রোগি, এতিম, পথচারী ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে।

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সুবিধাবঞ্চিত, ছিন্নমূল ও এতিম শিশুদের মাঝে দিয়েছেন ঈদের নতুন পোশাক। দিনে ও রাতের আধারে বাড়ি বাড়ি পৌছে দিয়েছেন নতুন পোশাক। এই দুর্যোগে ঈদের পোশাক পেয়ে মহাখুশি শিশুরা। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সতেজের কর্মকান্ডে অনুপ্রাণিত অন্যরা।
অন্যদিকে ছেলের এ ধরণের মানবসেবায় খুশি সতেজের মা ও বাবা। নিজের জন্য ঈদের নতুন পোশাক না কিনে, সেই ৫ হাজার টাকাসহ বাবা-মা, ভাই ও আত্মীয়-স্বজনদের সহযোগিতায় প্রায় ৩০ হাজার টাকায় সুবিধাবঞ্চিত ও এতিম শিশুদের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন মির্জা গালিব সতেজ। এতেই তার আত্মতুষ্টি। পড়ালেখার পাশাপাশি ২০১৭ সাল থেকে সমাজ উন্নয়নে কাজ করছেন তিনি ।

দেশজুড়ে
২৩ মে ২০২০